অনুসন্ধান

    মন না, মুখ বদলায়ঃ প্রোপাগান্ডা আর ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতি

    একটা মিথ্যা বারবার শুনলে কেন সত্যি মনে হয়? আর যারা ক্ষমতায় থাকে, তারা কেন সবার আগে ইতিহাসের বই বদলায়?


    কাঠ আর কমলা রঙের চামড়ায় মোড়া পুরোনো ধাঁচের একটি রেডিও

    একটু মনে করে দেখুন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের দিন কেন্দ্রগুলো কেমন ছিলো? টিভির পর্দায় কি ভোটারের লাইন দেখেছিলেন, নাকি ফাঁকা মাঠ? অথচ পরদিন নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দিলো, ভোট পড়েছে ৪১.৮ শতাংশ (ডেইলি স্টার, ২০২৪)।

    কেউ কেউ হয়তো সেটা বিশ্বাস করেছিলেন। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ? তারা বিশ্বাস করুক বা না করুক, প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেননি। কেন?

    এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে দুটো পুরোনো হাতিয়ারের সামনে দাঁড়াতে হয়:

    1. প্রোপাগান্ডা (Propaganda), আর
    2. ইতিহাস বিকৃতি (Historical Revisionism)

    প্রায় সব স্বৈরশাসক এই দুটো একসাথে ব্যবহার করে। একটা দিয়ে বর্তমানকে নিয়ন্ত্রণ করে, আরেকটা দিয়ে অতীতকে।

    প্রোপাগান্ডা আসলে কী?

    সহজ করে বললে, প্রোপাগান্ডা হলো মানুষের চিন্তা আর আচরণকে একটা নির্দিষ্ট দিকে ঠেলে দেওয়ার সংগঠিত চেষ্টা। এখানে তথ্য দেওয়া উদ্দেশ্য না, উদ্দেশ্য হলো একটা ধারণাকে “স্বাভাবিক” বানিয়ে ফেলা।

    ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক জাক এলুল দেখিয়েছেন, আধুনিক প্রোপাগান্ডা একটা-দুইটা মিথ্যা খবরের ব্যাপার না (Ellul, 1965)। এটা একটা পরিবেশ। তিনি এর নাম দিয়েছিলেন সমাজতাত্ত্বিক প্রোপাগান্ডা (Sociological Propaganda)। পত্রিকা, টিভি, পাঠ্যবই, সভা, স্লোগান, সব মিলিয়ে এমন একটা আবহ তৈরি হয়, যেখানে ভিন্ন কিছু ভাবাটাই কঠিন হয়ে যায়।

    তাহলে এই পরিবেশ তৈরি হয় কীভাবে? কয়েকটা কৌশল প্রায় সব জায়গায় একই রকম।

    একই কথা বারবার বললে কী হয়?

    একটা বাক্য প্রায়ই নাৎসি প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের নামে চলে: “একটা মিথ্যা বারবার বললে মানুষ সেটাকে সত্য মনে করে।” মজার ব্যাপার হলো, গোয়েবলস এই কথা বলেছিলেন, এমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। নিজেই একটা বারবার বলা, যাচাই না করা উক্তি!

    তবে কথাটার ভেতরে কিছুটা সত্য আছে। ১৯৭৭ সালে Hasher, Goldstein ও Toppino একটা পরীক্ষা করেন। অংশগ্রহণকারীরা দুই সপ্তাহ পরপর তিনবার কিছু বাক্য পড়ে বলতেন, কোনটা কতটা সত্য মনে হচ্ছে। দেখা গেলো, যে বাক্যগুলো আগেও শোনা, সেগুলোকে প্রতিবার আরও বেশি সত্য মনে হয়েছে, বাক্যটা সত্য হোক বা মিথ্যা (Hasher et al., 1977)। এর নাম ইলিউসরি ট্রুথ এফেক্ট (Illusory Truth Effect)। পরিচিত জিনিসকে আমাদের মস্তিষ্ক সত্যের সাথে গুলিয়ে ফেলে।

    পরে দেখা গেছে, আসল উত্তরটা জানা থাকলেও মানুষ এই ফাঁদে পড়ে (Fazio et al., 2015)। তবে একটা সীমাও আছে। এসব পরীক্ষা হয় ছোটখাটো তথ্য নিয়ে, ল্যাবের ভেতরে। যেখানে মানুষ নিজের চোখে উল্টোটা দেখছে, সেখানে শুধু পুনরাবৃত্তি দিয়ে বিশ্বাস জেতানো এত সহজ না।

    এবার আমাদের নিজেদের দিকে তাকাই।

    • ২০১৪ সালের নির্বাচন: ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যান (Human Rights Watch, 2014)। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি আসনে ভোটই হয়নি।
    • ২০১৮ সালের নির্বাচন: টিআইবি ৫০টি আসন পর্যালোচনা করে ৪৭টিতে অনিয়ম পায়। এর মধ্যে ৩৩টিতে আগের রাতে ব্যালটে সিল মারার তথ্য উঠে আসে (TIB, 2019)।
    • ২০২৪ সালের নির্বাচন: প্রধান বিরোধী দল অংশ নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছিলো, অন্য পর্যবেক্ষকদের মতো তারাও মনে করে নির্বাচনটি অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি (U.S. Department of State, 2024)।

    তবুও টানা এক দশক একই কথা শোনানো হয়েছে: নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে, জনগণ ভোট দিয়েছে। সবাই হয়তো কথাটা বিশ্বাস করেনি। কিন্তু বারবার শুনতে শুনতে এটাই হয়ে গেছে “স্বাভাবিক” কথা, যার উল্টোটা বলতে গেলে সাহস লাগে।

    উন্নয়নের গল্পটাও একই রকম। “উন্নয়নের রোল মডেল” কথাটা আমরা কতবার শুনেছি? অথচ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার-গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির হিসাব বলছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে (White Paper Committee, 2024)। একই সময়ে বিদেশি ঋণও বেড়েছে। শুধু ২০১৩ থেকে ২০২৩, এই দশ বছরে তা তিনগুণের বেশি বেড়ে ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে (The Business Standard, 2024)। উন্নয়ন হয়নি, তা না। জিডিপির অনুপাতে ঋণ এখনো খুব বেশি না, এমন মতও অর্থনীতিবিদদের আছে। কিন্তু গল্পে শুধু সেতু আর উড়ালসড়ক ছিলো, পাচার আর ঋণের দায় ছিলো না।

    “আমরা” বনাম “ওরা”

    দ্বিতীয় কৌশলটা আরও বিপজ্জনক। বিরোধীদের মানুষ হিসেবে না দেখিয়ে শত্রু হিসেবে দেখানো।

    দার্শনিক জেসন স্ট্যানলি এটাকে বলেছেন “আমরা বনাম ওরা”র রাজনীতি (Politics of Us and Them) (Stanley, 2018)। একবার কাউকে “দেশের শত্রু” বানিয়ে ফেলতে পারলে তার ওপর যেকোনো অন্যায় মানুষের কাছে সহনীয় হয়ে যায়। কারণ শত্রুর আবার অধিকার কীসের?

    বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই ছক খুব পরিচিত ছিলো। সরকারের সমালোচনা করলেই “জামাত-শিবির” বা “বিএনপি” ট্যাগ লাগতো। আর ট্যাগ লাগা মানে গ্রেপ্তার, মামলা বা নির্যাতনকে জায়েজ করার একটা অজুহাত তৈরি হয়ে যাওয়া। ফলে দুটো জিনিস একসাথে ঘটলো। একদল মানুষকে শাস্তিযোগ্য বানানো হলো, আর বাকিরা ভয়ে চুপ হয়ে গেলো।

    ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন রাখেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিরা কোটা না পেলে কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা পাবে? (The Daily Star, 2025)। সরাসরি না বললেও ইঙ্গিতটা পরিষ্কার ছিলো।

    এবার কিন্তু ছক উল্টে গেলো। সেই রাতেই শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে স্লোগান দিলো:

    তুমি কে? আমি কে? রাজাকার, রাজাকার! কে বলেছে? কে বলেছে? স্বৈরাচার, স্বৈরাচার!

    খেয়াল করুন, স্লোগানের দ্বিতীয় লাইনটাই আসল। ট্যাগটা তারা গায়ে মাখলো, তারপর ফিরিয়ে দিলো যে দিয়েছে তার দিকে। যে ট্যাগ দিয়ে এতদিন মানুষকে চুপ করানো হতো, সেটাই সেদিন আর কাজ করেনি।

    গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট

    ইতিহাস কেন ক্ষমতার হাতিয়ার?

    জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪ উপন্যাসে ক্ষমতাসীন পার্টির একটা স্লোগান আছে:

    যে অতীত নিয়ন্ত্রণ করে, সে ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ করে। আর যে বর্তমান নিয়ন্ত্রণ করে, সে অতীত নিয়ন্ত্রণ করে।

    পার্টির স্লোগান, ১৯৮৪ (Orwell, 1949)

    প্রোপাগান্ডা যদি বর্তমানকে সাজায়, ইতিহাস বিকৃতি সাজায় বৈধতাকে। “আমরাই দেশ স্বাধীন করেছি, তাই দেশ চালানোর অধিকারও আমাদের” – এই দাবির ভিত্তি হলো অতীতের একটা গল্প।

    সবচেয়ে কুখ্যাত উদাহরণ সোভিয়েত ইউনিয়ন। স্টালিনের আমলে যারা বিরাগভাজন হতেন, তাদের শুধু হত্যা বা নির্বাসন করা হতো না। ছবি থেকেও মুছে ফেলা হতো। ১৯২০ সালে মস্কোয় লেনিনের এক বক্তৃতার ছবিতে মঞ্চের পাশে দাঁড়ানো লিওন ট্রটস্কি পরের সংস্করণগুলো থেকে উধাও হয়ে যান। ব্রিটিশ ডিজাইনার ও সংগ্রাহক David King এমন শত শত ছবি সংগ্রহ করে দেখিয়েছেন, কীভাবে একই ছবি বছরের পর বছর বদলানো হয়েছে (King, 1997)।

    আমাদের দেশেও ইতিহাস নিয়ে টানাটানি নতুন না। স্বাধীনতার ঘোষণা কে দিয়েছিলেন, এই প্রশ্নের উত্তর সরকার বদলের সাথে সাথে পাঠ্যবইয়ে বদলেছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এক উত্তর, বিএনপি থাকলে আরেক উত্তর। ২০০৯ সালে হাইকোর্ট রায় দেয়, স্বাধীনতার ঘোষক শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান নন (bdnews24.com, 2009)। আর ২০২৪ সালের পরে, ২০২৫ সালের পাঠ্যবইয়ে আবার লেখা হয়, ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন (The News International, 2025)। আদালতের রায় কিংবা পাঠ্যবই, কোনোটাই এই বিতর্ক থামাতে পারেনি।

    এখানে একটা অস্বস্তিকর কথা বলা দরকার। ইতিহাস বিকৃতি কোনো একটা দলের একার অভ্যাস না। যে-ই ক্ষমতায় আসে, সে-ই অতীতকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে চায়। তাই স্বৈরশাসক বিদায় নিলেই ইতিহাস নিরাপদ হয়ে যায় না।

    মানুষ কেন এসব মেনে নেয়?

    অনেকে ভাবতে পারেন, মানুষ কি এতই বোকা? আসলে না। মেনে নেওয়ার পেছনে বুদ্ধির চেয়ে বেশি কাজ করে ভয়, পরিচয় আর চারপাশের চাপ।

    মুখে এক, মনে আরেক

    তুর্কি-আমেরিকান অর্থনীতিবিদ তিমুর কুরান একটা ধারণা দিয়েছেন: প্রেফারেন্স ফলসিফিকেশন (Preference Falsification) (Kuran, 1995)। মানুষ ঝামেলা এড়াতে প্রকাশ্যে এমন কথা বলে, যা সে মনে মনে বিশ্বাস করে না।

    সমস্যা হলো, সবাই যখন মুখে একই কথা বলে, তখন প্রত্যেকে ভাবে, “হয়তো আমি একাই অন্যরকম ভাবছি।” তাই কেউ মুখ খোলে না। আবার এই কারণেই হঠাৎ করে সব ভেঙে পড়ে। একজন-দুজন মুখ খুললেই সবাই বুঝতে পারে, আসলে অনেকেই একই কথা ভাবছিলো। কুরান এভাবেই ব্যাখ্যা করেছিলেন, ১৯৮৯ সালে পূর্ব ইউরোপের সরকারগুলো কেন প্রায় বিনা নোটিশে পড়ে গিয়েছিলো। জুলাই ২০২৪ কি অনেকটা এমনই ছিলো না?

    দলের প্রতি আনুগত্য

    যে দলকে আমি নিজের পরিচয়ের অংশ বানিয়ে ফেলেছি, তার ভুল মেনে নেওয়া মানে নিজের ভুল মেনে নেওয়া। তাই আমরা পক্ষের খবর সহজে বিশ্বাস করি, আর বিপক্ষের খবরে খুঁত খুঁজি। রাজনীতি-বিজ্ঞানী Taber ও Lodge এটাকে বলেছেন মোটিভেটেড স্কেপটিসিজম (Motivated Skepticism) (Taber & Lodge, 2006)। এটা কোনো একটা দলের সমর্থকদের সমস্যা না। আমাদের সবার সমস্যা।

    তাহলে কি সব দোষ প্রোপাগান্ডার?

    এখানে একটু থামা দরকার। প্রোপাগান্ডাকে সর্বশক্তিমান ভাবাটাও একটা ভুল।

    ফরাসি কগনিটিভ বিজ্ঞানী উগো মেরসিয়ে দেখিয়েছেন, মানুষ আসলে যতটা বোকা ভাবা হয় ততটা না (Mercier, 2020)। আমরা যা শুনি সবই বিশ্বাস করি না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রোপাগান্ডা তাদেরই প্রভাবিত করে, যারা আগে থেকেই সেদিকে ঝুঁকে ছিলো। বাকিরা হয়তো বিশ্বাস করে না, শুধু ভয়ে চুপ থাকে।

    এই পার্থক্যটা গুরুত্বপূর্ণ। যদি সবাই সত্যিই সব বিশ্বাস করতো, তাহলে একটা সরকার এত দ্রুত পড়ে যেতো না। হয়তো প্রোপাগান্ডা মানুষের মন যতটা বদলায়, তার চেয়ে বেশি বদলায় মানুষের মুখ। আর ভয় কেটে গেলে মুখও খুলে যায়।

    আমরা কী করতে পারি?

    হান্নাহ আরেন্ট তাঁর The Origins of Totalitarianism বইয়ে লিখেছিলেন, সর্বগ্রাসী শাসনের আদর্শ প্রজা কোনো কট্টর সমর্থক না। বরং সেই মানুষ, যার কাছে বাস্তব আর কল্পনার, সত্য আর মিথ্যার পার্থক্যটাই আর নেই (Arendt, 1951)। তাহলে আমাদের কাজ হলো সেই পার্থক্যটা বাঁচিয়ে রাখা।

    1. বারবার শোনা কথাকে আলাদা করে যাচাই করুন। পরিচিত লাগা মানেই সত্য না।
    2. নিজের পছন্দের দলের খবরে সবচেয়ে বেশি সন্দেহ করুন। এখানেই আমরা সবচেয়ে সহজে ঠকি।
    3. তারিখ, সংখ্যা আর সূত্র খুঁজুন। কে বলছে, কবে বলছে, কীসের ভিত্তিতে বলছে?
    4. দলিল রেখে দিন। খবরের লিংক, স্ক্রিনশট, ভিডিও। ইতিহাস লেখা হয় যা টিকে থাকে তা দিয়ে।
    5. নতুন ক্ষমতাসীনদেরও একই প্রশ্ন করুন। ইতিহাস বিকৃতি শুধু পুরোনো শাসকের অভ্যাস না।

    সত্য-মিথ্যার পার্থক্য যেদিন আমাদের কাছে আর গুরুত্বপূর্ণ থাকবে না, সেদিন থেকে কাউকে আর মিথ্যা বলতেও হবে না।

    দিনশেষে প্রোপাগান্ডা টিকে থাকে আমাদের নীরবতায়। প্রশ্ন হলো, এবার আমরা কতদিন প্রশ্ন করতে পারবো?

    তথ্যসূত্র

    • Arendt, H. (1951). The Origins of Totalitarianism. Harcourt, Brace & Co.
    • bdnews24.com. (2009, June 21). জিয়া নন, বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষক: হাই কোর্ট. https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article437580.bdnews
    • Ellul, J. (1965). Propaganda: The Formation of Men’s Attitudes (K. Kellen & J. Lerner, Trans.). Alfred A. Knopf.
    • Fazio, L. K., Brashier, N. M., Payne, B. K., & Marsh, E. J. (2015). Knowledge does not protect against illusory truth. Journal of Experimental Psychology: General, 144(5), 993–1002.
    • Hasher, L., Goldstein, D., & Toppino, T. (1977). Frequency and the conference of referential validity. Journal of Verbal Learning and Verbal Behavior, 16(1), 107–112.
    • Human Rights Watch. (2014, January 17). Bangladesh’s stranglehold election. https://www.hrw.org/news/2014/01/17/bangladeshs-stranglehold-election
    • King, D. (1997). The Commissar Vanishes: The Falsification of Photographs and Art in Stalin’s Russia. Metropolitan Books.
    • Kuran, T. (1995). Private Truths, Public Lies: The Social Consequences of Preference Falsification. Harvard University Press.
    • Mercier, H. (2020). Not Born Yesterday: The Science of Who We Trust and What We Believe. Princeton University Press.
    • Orwell, G. (1949). Nineteen Eighty-Four. Secker & Warburg.
    • Stanley, J. (2018). How Fascism Works: The Politics of Us and Them. Random House.
    • Taber, C. S., & Lodge, M. (2006). Motivated skepticism in the evaluation of political beliefs. American Journal of Political Science, 50(3), 755–769.
    • The Business Standard. (2024). External debt surges past $100b mark. https://www.tbsnews.net/economy/external-debt-surges-past-100b-mark-813091
    • The Daily Star. (2024, January 8). AL wins 222 seats, independents 62; turnout 41.8pc: CEC. https://www.thedailystar.net/election-2024/news/news/al-wins-222-seats-independents-62-turnout-418pc-cec-3514276
    • The Daily Star. (2025). July 14, 2024: PM’s remark ignites protests. https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/july-14-2024-pms-remark-ignites-protests-3938926
    • The News International. (2025, January 2). Bangladesh new books say Ziaur Rahman, not Mujibur Rahman, declared independence. https://www.thenews.com.pk/latest/1267957-bangladesh-new-books-say-ziaur-rahman-not-mujibur-rahman-declared-independence
    • Transparency International Bangladesh. (2019, January). একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা [Review of the election process of the 11th national parliamentary election]. TIB.
    • U.S. Department of State. (2024, January 8). Parliamentary elections in Bangladesh [Press statement by M. Miller, Department Spokesperson].
    • White Paper Committee. (2024, December). White paper on state of the Bangladesh economy: Dissection of a development narrative. Government of the People’s Republic of Bangladesh.

    লেখাটি কেমন লাগলো?


    এই বিষয়ে আরও